১০ নং কোটাকোল ইউনিয়নের কোটাকোল লন্চঘাটে কৃষক দলের অফিস পোড়ানো হয়েছে
স্থানীয় সূএে জানা গেছে যে, ওই ইউনিয়নের বরাবরই দুইটা পক্ষই কাজ করতেছে একটা আওয়ামী লীগ আর একটা বিএনপি।
বিগত দিনে, ওই গ্রামে আওয়ামী লীগের প্রভাব বেশি। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কিছুদিন যাবৎ ওই গ্রামে আওয়ামী লীগের এবং বিএনপির মধ্য ঝামেলা সৃষ্টি হয়ে আসছে।
তারই পরিপেক্ষিতে, ওই ইউনিয়নের কিছু আওয়ামীলীগ পন্থীরা এই কৃষক দলের অফিস ভাঙচুর এবং লুটপাট করে পুড়িয়ে ফেলেছে।
শুক্রবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেলে, কোটাকোল ইউনিয়নের লঞ্চ ঘাটে এলাকায় নতুন অফিসে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
তার পরের দিনেই আওমীপন্থীরা অফিসটিকে পুড়িয়ে ফেলে।
মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, লোহাগড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আহাদুজ্জামান বাটু।
প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন লোহাগড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী সুলতানুজ্জামান সেলিম।
১০নং কোটাকোল ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি বিএমএ রকিব টুনুর সভাপতিত্বে, লোহাগড়া উপজেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব মেজবাহ উদ্দিন পারভেজের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. হেমায়েত হোসেন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এস এ সাইফুল্লাহ মামুন, উপজেলা কৃষক দলের আহবায়ক মো. আলম মুন্সি, উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক শফিক, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক সোহেল রানা লাক্সমি, কাশিপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের আহবায়ক মো. জাহিদুর রহমান, কোটাকোল ইউনিয়ন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. ওমর ফারুক খানসহ প্রমুখ।
স্থানীয় জনগণ এই ঘটনার তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে প্রশাশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।
উক্ত ঘটনার যথাযথ বিচারের দাবি জানিয়ে অপরাধীদের আইনগত ভাবে ব্যাবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছে।